
হিন্দু বিরোধিতার গলিতে আল‑কায়দা‑ইসিসের পতাকা‑মিছিল—বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদের নতুন রূপ
ঢাকা শহরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বাড়তে থাকা হিংসা, উগ্রবাদের নতুন রূপে আল‑কায়দা‑ইসিসের পতাকা নিয়ে মিছিলের আকার পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এ ধরনের প্রকাশ্য উগ্রতা দেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্ষতি করে, দ্রুত আইনি পদক্ষেপ দরকার।
ঢাকা—সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হিংসা এখন আর অল্পের বিষয় নয়; প্রতিদিনের রুটিনে ঘটে হামলা, গালি‑গালাজ এবং সম্পত্তি নষ্টের ঘটনা। এভাবেই ধর্মীয় উগ্রতা দেশে নতুন করে আতঙ্কের ছাপ ফেলছে। সূত্রের মতে, গত কয়েকদিনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর গৃহস্থালির আক্রমণ বাড়ে, তবেই এক দলে সশস্ত্র না হলেও উগ্রবাদীর চিহ্ন বহনকারী আল‑কায়দা‑ইসিসের পতাকা নিয়ে জনসাধারণের মাঝখানে মিছিল করে শোক প্রকাশ করা হয়।
মিছিলের সময় সাইডে স্লোগান শোনানো হয়, “দ্বেষের শৃঙ্খল ভাঙো, ধর্মীয় সহনশীলতা ফিরিয়ে আনি”, অথচ পতাকার চিত্রই উগ্রতা ও সহিংসতাকে সমর্থন করে। এমন করুণ দৃশ্য দেখলে ভয় পাই যে, ধর্মীয় উগ্রতা এখন ধর্মের নামেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর প্রতীকও ব্যবহার করে গৌরব বাড়াচ্ছে।
বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের প্রকাশ্য উগ্রতা দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে দুজনার স্বার্থের ক্ষতি করে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা প্রশ্নে উঠে এসেছে, সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে, না হলে সমগ্র সমাজের মেরুতা বাড়তে থাকবে।
স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলিও বলছে, এধরনের মিছিলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের উগ্রতার সুযোগ না থাকে। তৎক্ষণাৎ পুলিশকে হুমকির সূত্র অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীকে আটক করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উগ্রবাদের ছায়া যতই বাড়ুক না কেন, শান্তি ও সহনশীলতা বজায় রাখার জন্য সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা এবং সংলাপের প্রয়োজন। এভাবে মাত্রই দেশের ধর্মীয় বৈচিত্র্য রক্ষা পাবে এবং উগ্রতাবিরোধী লড়াইয়ে একতা গড়ে ওঠে।



